Jaagrotro Morka Rokhakali // জাগ্রত মরকা রক্ষাকালী
Episode description
ঘটনাটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের। ঘোর বর্ষা। বালুরঘাটের বোল্লা হাটে এক পুলিস কনস্টেবলকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে জমিদার মুরারিমোহন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। নাম জড়ায় আরও ১১ জনের। পুলিসকর্মীকে মারধর করার ঘটনায় তাঁদের কঠোর শাস্তির সম্ভাবনা ছিল। এই শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কী? এলাকার জাগ্রত মরকা কালীর (মরক আটকাতে এই কালীর আরাধনা করা হতো) কাছে মানত করলেন তাঁরা। আদালতে মামলা ওঠে। জমিদার ও তাঁর অনুচরদের নির্দোষ হিসেবে মুক্তি দেন বিচারক। তখনই তাঁদের বিশ্বাস হয়, প্রার্থনা পূরণ করেছিলেন দেবী। এই রায় সর্বসমক্ষে আসে রাসপূর্ণিমার কয়েকদিন আগে। রায় ঘোষণার পরেই সব গ্রামবাসী কালীপূজার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল অন্য জায়গায়। মরকা কালীর পুজো হতো জৈষ্ঠ্য মাসে। কিন্তু গ্রামবাসীরা ততদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে নারাজ। রাসপূর্ণিমার পরের শুক্রবারেই [10:44 pm, 15/02/2024] অর্ণব: আয়োজন করা হল কালীপুজোর। তবে তা চিহ্নিত হল বারোয়ারি পুজো হিসেবেই। দেবীর কৃপায় জমিদার রক্ষা পেয়েছেন। তাই মরকা কালী পরিচিত হলেন রক্ষাকালী নামে।
শুরু থেকেই পুজোর একদিন পর, শনিবার বিকেলে প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রথা ছিল। পরবর্তীতে কলেবরে বৃদ্ধি পায় এই পুজো। ১৯৬০ সাল থেকে শনিবারের পরিবর্তে সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিমা নিরঞ্জনের নিয়ম চালু হয়। দিন বাড়তেই বসে মেলা। চারদিনের। এর পর বহুবার এই মেলা ও পুজোকে পাঁচদিন বা সাতদিন অবধি বর্ধিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের মতে, যতবারই এমনটা করা হয়েছে, ততবারই কোনও না কোনও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এই মেলা। তাই পরে ঠিক হয় পুজো ও মেলা হবে চারদিনই। পুজোয় ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় চিনির বাতাসা ও কদমা
তথ্যসূত্র:বর্তমান পত্রিকা।
সূত্রধর: অর্ণব
Facebook:
https://facebook.com/EtiTomaderArnab
Insta:
https://instagram.com/eti_tomader_arnab
Youtube:
